Posts

Showing posts with the label Hadith

জুমু‘আর দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ

Image
জুমু‘আর দিনে  প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষের ওপর গোসল করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ আমরা অনেকেই জুমার দিনে গোসল করতে চাই না । আমরা অনেকে না জেনে এই ভূলটি করে থাকি । শুক্রবার দিনে নবীজী (সাঃ) গোসলের প্রতি তাগিদ দিয়েছেন । তবে যদি কেউ কারণ বশত গোসল না করে, তাহলে কোন সমস্যা নেই । নিচে হাদিসে তা আমরা দেখতে পাব। তবে গোসল করা উত্তম। তো চলুন এ সম্পর্কে  হাদিস গুলো জেনে নিই। আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ জুমু‘আর সলাতে আসতে মনস্থ করলে সে যেন গোসল করে।  (সহীহ মুসলিম-১৮৩৬; ই.ফা. ১৮২১, ই.সে. ১৮২৮) আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, একদা জুমু‘আর দিন ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তখন ‘উসমান ইবনু ‘আফ্‌ফান (রাঃ) প্রবেশ করেন। ‘উমার (রাঃ) তার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, লোকদের কি হল যে, তারা আযানের পরও (মাসজিদে আসতে) বিলম্ব করে। ‘উসমান (রাঃ) বলেন, হে আমীরুল মু'মিনীন ! আমি আযান শোনার পর ওযূ করা ছাড়া অতিরিক্ত আর কিছু করিনি, অতঃপর এসে পৌছেছি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, ওযূও ...

রাসূল (সাঃ) জুম্মার নামাযে কোন রাকাতে কোন সূরা পড়তেন । জেনে নিন হাদিসের আলোকে

Image
জুমু‘আর দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি পাঠ করতেন   রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কখনো জুমআর নামাযের প্রথম রাকাতে “সূরা জুমুআ” এবং দ্বিতীয় রাকাতে “সূরা মুনাফিকুন” পড়তেন।  কখনো “সূরা মুনাফেকুন” এর বদলে  “সুরা গাশিয়াহ” পড়তেন। আবার কখনো প্রথম রাকাতে “সূরা আলা” এবং দ্বিতীয় রাকাতে “সূরা গাশিয়াহ” পড়তেন। উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ মারওয়ান আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)-কে প্রশাসক নিয়োগ করলেন ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে অধস্তন বর্ণনাকারী হাতিম (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, তিনি প্রথম রাক‘আতে সূরাহ্‌ আল জুমু‘আহ্‌ এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে “ইযা- জা-আকাল মুনাফিকূন” (সূরা আল মুনাফিকূন) পাঠ করেন। ‘আবদুল আযীয (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে সুলায়মান ইবনু বিলাল (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ।  (সহিহ মুসলিম ১৯১২; ই.ফা. ১৮৯৭, ই.সে. ১৯০৪)   নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ ঈদের সলাতে ও জুমু‘আর সলাতে “সাব্বিহিস্‌মা রব্বিকাল আ’লা-“ ও “হাল আতা-কা হাদীসুল গ-শিয়াহ্‌” সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঈদ ও জুমু‘আহ্‌ এক...

নবীজী (সাঃ) কখন কখন দাত ব্রাশ বা মিসওয়াক করতেন। আমার উম্মাতের জন্য যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সলাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।

Image
Brush আজকে আপনাদের সামনে ৩টি হাদিস উপস্থাপন করব । যে হাদিস গুলো থেকে আপনারা সহজে অনুধাবন করতে পারবেন যে, নবীজী (সাঃ) কখন ও কিভাবে মিসওয়াক করতেন এবং এই মিসওয়াক এর গুরুপ্ত কতটুকু। তো চলুন শুরু করা যাক।   আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনদের জন্যে এবং যুহায়র-এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, আমার উম্মাতের জন্য যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সলাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।  (সহীহ মুসলিম-৪৭৭; ই.ফা. ৪৮০; ই.সে. ৪৯৬) মিকদাম-এর পিতা শুরায়হ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে ঢুকে সর্বপ্রথম কোন্‌ কাজটি করতেন? তিনি বললেন, সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন।  ( সহীহ মুসলিম-৪৭৮;  ই.ফা. ৪৮১; ই.সে. ৪৯৭) হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাহাজ্জুদের জন্যে উঠতেন তখন মিসওয়াক দ্বারা ঘষে মুখ পরিষ্কার করতেন।  ( সহীহ মুসলিম-৪৮১;  ই.ফা.৪৮৪; ই.সে. ৫০০) মহান আল্লাহ তায়...

শীতের দিনে কষ্ট করে ওযুর ফজিলত জেনে নিন । অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করার ফযীলত

Image
কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার ফযীলত কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার ফযীলত আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা ভালভাবে ওযূ করে না। আর ঠান্ডার দিন আসলে তো কোন কথাই নাই । শীতের সময় ওযূর ভয়ে অনেকে নামায পড়তে চায় না । তাই আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করার ফযীলতঃ তো চলুন এ বিষয়ে নবীজীর একটি সহীহ হাদিস জেনে নেই। আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেনঃ অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করা, মাসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা। (সহীহ মুসলিমঃ-৪৭৫;  ই.ফা. ৪৭৮; ই.সে. ৪৯৪) হাদিসটি থেকে আমরা সহজে অনুধাবন করলাম যে অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করার ফযীলত কত বড়। মহান আল্লাহ আমাদের সবাই বোঝার ও মানার তৌফিক দান করুন (আমিন) আমাদের আরো পোষ্ট পড়ুনঃ  জ...